প্রথম বক্তব্যে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তেরেসা


প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে এমন একটি দেশের স্বপ্ন দেখালে যে দেশ সবার জন্য কাজ করবে। বৃটেনকে তিনি একটি একক জাতি হিসেবে নেতৃত্ব দেয়ার সংকল্প ব্যক্ত করলেন। বৃটেনের ৭৬তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই তিনি প্রথম বক্তব্যে এসব প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ঐতিহাসিক কালো দরজাকে পিছনে রেখে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সাংবাদিক ও দেশবাসীর উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তার বয়স ৫৯ বছর হলেও এ সময় তাকে দেখা গেছে তারুণ্যদীপ্ত। তিনি মোহ সৃষ্টিকারী এক বক্তব্য দেন। বলেন, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডকে নিয়ে আমাদের ইউনিয়ন ধরে রাখবো। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার নিয়ে যে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে তাও মোকাবিলার কথা বলেন তিনি। বলেন, বিশ্বে বৃটেন একটি নতুন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, বৃটেন হবে এক জাতির দেশ। এখানে সব ভোটার এক। এটা শুধু কনজার্ভেটিভদের দেশ নয়। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি সরাসরি বার্তা দেন। বলেন, আমি জানি আপনারা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। আমি জানি আপনারা সর্বোত্তম চেষ্টা করছেন। আমি জানি কখনো জীবন হয়ে ওঠে সংগ্রামময়। আমি যে সরকারের নেতৃত্ব দেবো তা শুধু মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের স্বার্থের জন্য নয়, আপনাদের সবার জন্য হবে তা। আপনাদেরকে যতটা সম্ভব ভাল কিছু উপহার দেয়ার চেষ্টা করবো। বক্তব্যে তিনি পূর্বসুরি ডেভিড ক্যামেরনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তেরেসা মে বলেন, আমি একজন অত্যন্ত আধুনিক প্রধানমন্ত্রীর পদাঙ্ক অনুসরণ করছি। ডেভিড ক্যামেরণের নেতৃত্বাধীন সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছেছ। বাজেট ঘাতটি কমিয়েছে। বেশি মানুষের কর্মসংস্থান করেছে।

শেয়ার করুন

0 মন্তব্য: