ব্রাহ্মরবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিদ্যালয়ের ভবন মেরামতের আগেই টাকা উত্তোলন করে নিল ঠিকাদারী প্রতিষ্টান


মো:জিয়াদুল হক বাবু -বিবজয়নগরে প্রাথমিকবিদ্যালয়ের ভবন মেরামতের নামে টাকা আত্বসাতের অভিযোগ পাওয়াগেছে।আর মেরামতের আগেই বিদ্যালয় কর্তৃপহ্ম ঠিকাদারকে কাজ শেষ হয়েছে মর্মে প্রত্যায়ন পএ দিয়ে দিলে ঠিকাদার ভবন মেরামতের আগেই বিল উঠিয়ে নেয় ।ঘটনাটি ঘটেছে বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।এ নিয়ে এলাকার সাধারন লোকদের মাঝে হ্মোভ দেখা গেছে । সরজমিনে জানা যায় উপজেলার পাহাড়পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিনশেড ভবনের দরজা জানালা,টিনের চাল,সিলিং,ফ্লোর মেরামত ও রংয়ের কাজের জন্য এলজিডি ৩ লহ্ম ৪হাজার ৯২৮টাকার টেন্ডার আহব্বান করলে এস আলম কন্সট্রাকসন নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্টান লেস দিয়ে ২ লহ্ম ২হাজার টাকা দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে কাজটি শেষ করার শর্তে কাজটি পায় । পরে টিকাদারী প্রতিষ্টানটির কাছ থেকে মে মাসের শেষ দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিহ্মক ও পরিচালনা পর্ষদ মিলে ১৭০০০০/হাজার টাকা নিয়ে কাজটির শেষ করার রফাদফা করে । জুনের প্রথম সপ্তাহে টিকাদারের কাছ থেকে ৫০০০০/হাজার টাকা প্রধানশিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে নেয় ,তবে কোন কাজ শুরু করার আগেই জুনের ২২/০৬/২০১৬ইং তারিখে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকে কাজ শেষ হয়েছে  বলে প্রত্যায়ন পএ দিয়ে দিলে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকাজ ছারাই পুরো টাকা উত্তোলন করে নেয়।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছোক  প্রকোশলি অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন টিকাদার কাজের আগেই প্রত্যায়ন পএ দিয়ে বিল নিয়ে গেছে। পরে প্রধানশিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের মাঝে কাজ করা ও ভাগভাটারা নিয়ে বিভেদ দেখা দিলে এলাকায় বিষয়টি চাউর হয়ে উঠে ১৪ ই জুলাই টিকাদার বিদ্যালয়ে এসে  সবাইকে নিয়ে মিটিং করে কাজটি কোন মতে  করে ফেলতে সভাপতি ডা; আব্দুছ ছাত্তার,পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো: তৈয়ব আলি ,নুরুল ইসলাম ,কাজি ফজলুর রহমান ,প্রধান শিক্ষক মো:সোহরাওয়র্দি কে দিয়ে ৫ সদস্যের কমিটি করে দেয় এবং তাদের মিলে মিশে থাকতে বলে যায়।তবে কমিটির বাকি সদস্যরা এটা মেনে নিতে পারেনি আর সভাপতি একথা না শুনে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে মোখিক ভাবে অভিযোগ দিলে দূর্নিতির বিষয়টি ্উঠে আসে ।এব্যাপারে বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক মো সোহরাওয়ার্দি প্রত্যায়ন পএ দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন ,আমার কোন দোষ নেই ,আমি ও পরিচালনা পর্ষদ মিলে ভাল করে কাজ করাতে সভাপতির নির্দেশে ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এক ব্যক্তিকে ৬০০০/টাকা দিয়ে রংয়ের কাজ দেয় তবে সভাপতি রংয়ের কাজের নামে ২৫০০০/টাকা নিতে চাইলে আমরা তাতে বাধা দিলে তিনি হ্মিপ্ত হয়ে শিক্ষা অফিসারকে নালিশ দেয়।সভাপতি ডা: আব্দুছ ছাত্তার বলেন সবাই মিলে টাকা নিলেও প্রধান শিক্ষক নিম্নমানের কাজ করে অর্থ আত্বসাত করার চেষ্টা করায় তার বিরোদ্বে মোখিক অভিয়োগ করা হয়েছে তবে তার বিরোদ্বে শিক্ষা অফিসারের কাছে দূর্নিতির আরেকটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে ।সহ সভাপতি তৈয়ব আলী বলেন ,অর্থআত্বসাতের কথাটি ঠিক তবে আমি মিটিংয়ে ছিলাম না।এব্যাপারে ঠিকাদার সাজুমিয়ার মোঠোফোনে (০১৭১১৩৪১৫২৯) যোগাযোগ করলে তিনি ধমক দিয়ে বলেন আমাকে আপনি চিনেননা ,চিনলে  ফোন দিতেন না স্কুলের কাজ কর্মোনা করব এটা সরকারের বিষয়,সাংবাদিকের কি,দরকার হলে উপজেলা প্রকোশলীর কাছে যান অথবা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে এসে আমার সাথে যোগাযোগ করেন । এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীজেন্দ্র চন্দ্র আচার্যী বলেন ,এব্যাপারে সভাপতি মেীখিক ভাবে অভিযোগ দিয়েছেন দুদিনের মধ্যে তদন্ত সাপেহ্মে দুষিদের বিরোদ্বে ব্যাবস্তা গ্রহন করা হবে ।উপজেলা নির্বাহী কমকর্তা আক্তার উন নেছা শিউলী বলেন অভিযোগ পায়নি,তবে শিহ্মা অফিসারের সাথে কথা বলে   প্রয়োজনীয় ব্যাবস্তা নেওয়া হবে।আর উপজেলা প্রকোশলী মো: সাহজাহান মিয়ার  অফিসে রবিবার গিয়ে পাওয়া যায়নি এবং মোঠোফোনে বিভিন্ন সময় ফোন দিলে রিং হলেও তিনি রিসিব করেননি  এবং এস,এম এস করেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি ।

শেয়ার করুন

0 মন্তব্য: