নিখোঁজ তালিকায় চিকিৎসক প্রকৌশলী, পাইলট

র‌্যাবের প্রকাশ করা নিখোঁজ ব্যক্তিদের ২৬২ জনের তালিকায় ৭২ জনই ঢাকার। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় আসার পর থেকে তারা নিখোঁজ হন। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, আদাবর, উত্তরা, বনানী, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, রমনা, শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও ও শ্যামপুর থেকে নিখোঁজ হয়েছেন তারা। রাজধানীর বাইরে নিখোঁজের শীর্ষে রয়েছে ঝিনাইদহ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও কিশোরগঞ্জ। নিখোঁজ তালিকায় ওঠে আসা ব্যক্তিদের অনেকেই আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। বেশ কয়েকজন মাদরাসা ছাত্রও রয়েছেন তালিকায়। নাম এসেছে রিকশাচালক থেকে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, পাইলটের। এ ছাড়া গানের শিল্পী, পোশাক শ্রমিক, রাজমিস্ত্রিসহ মোট ৯টি পেশার মানুষ নিখোঁজ এ তালিকায় আছেন। বুধবার মধ্যরাতে র‌্যাব মিডিয়ার অফিসিয়াল পেজে নিখোঁজ ২৬২ জনের তালিকা প্রকাশ করে র‌্যাব। ওই তালিকা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। নিখোঁজদের একটি বড় অংশ জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত বলে সন্দেহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। নিখোঁজের তালিকায় থাকা একজন সিরিয়ায় নিহত হওয়ার তথ্য বেরিয়েছে। তালিকায় নাম এসেছে এমন একজন কারাগারে থাকার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। একজন নিজ কর্মক্ষেত্রে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তালিকার ব্যাপারে র‌্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান জানিয়েছেন, র‌্যাবের নিজস্ব সোর্স ও সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের সহযোগিতায় নিখোঁজদের এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এদের বিষয়ে কারো তথ্য জানা থাকলে তা র‌্যাবকে দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নিখোঁজদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছে র‌্যাব। ঢাকায় নিখোঁজ হওয়াদের ব্যাপারে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি নিখোঁজের ঘটনায় কোনো জিডি হয়নি। প্রকাশিত তালিকায় কারো কারো ছবি, সর্বশেষ ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর নাম রয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে যারা জিডি করেছেন তাদেরও নাম প্রকাশ করা হয়েছে। যেসব থানায় জিডি করা হয়েছে, ওই থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরও দেয়া হয়েছে। প্রকাশ করা হয়েছে নিখোঁজদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা। র‌্যাব প্রকাশিত তালিকা অনুসন্ধান করে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ হলেও এদের বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) থানাগুলোতে বেশি জিডি হয়েছে। জিডির সময়কাল ২০১৫ ও ২০১৬ সালের সামপ্রতিক মাস। তবে বেশির ভাগ নিখোঁজের জিডি চলতি বছরেই দায়ের করা। গত ১লা জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় জঙ্গি হামলায় তিন বাংলাদেশি ও ১৭ বিদেশিসহ ২০ জন নিহত হন। এ ছাড়াও জঙ্গি হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে ৬ হামলাকারীকে নির্মূল করা হয়। এরপর ঈদের দিন শোলাকিয়ার ঈদগাহে হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। এসব হামলায় অংশগ্রহণকারীরা ছয় মাস বা এক বছরের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ ছিল। এরপর নিখোঁজদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে। তারা নিখোঁজদের পরিবারকে স্থানীয় থানায় জিডি করার অনুরোধ করেন। তালিকায় নাম প্রকাশ হওয়া মো. মাহমুদুল হাসান রাতুল (২৩) নটরডেম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। তার বাবার নাম রওশন আলী খান। তিনি পরিবারের সঙ্গেই রাজধানীর আদাবর থাকতেন। গত বছরের ১৯শে জুলাই নিখোঁজ হন তিনি। ওই বছরের ২১শে জুলাই তার বিষয়ে আদাবর থানায় একটি জিডি হয়। এখনো তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। যশোর পলিটেকনিক্যাল থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা শেষ করে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি-তে ভর্তি হন রাহাত বিন আবদুল্লাহ। কিন্তু ইন্টার্নশিপ না করেই তিনিও নিখোঁজ হন। এ বিষয়ে গত ১৮ই জুন মোহাম্মদপুর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। কওমি মাদরাসার ছাত্র মোস্তফা কামাল (২৬)। গত ছয়মাস আগে তিনি একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। গত ৬ই জুলাই থেকে তিনিও নিখোঁজ। এই ঘটনায় এখনও কোনো জিডি হয়নি। তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাই নবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায়। বাদশাহ আলী (২৬)। তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায়। বাবার নাম মতিউর রহমান। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। গত ২২শে এপ্রিল তিনি নিখোঁজ হন। এই ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। এক বছর ধরে ঢাকা শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রোকনউদ্দীন ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। মালিবাগের চৌধুরীপাড়ার মাটির মসজিদ এলাকায় বাস করতেন ওই পরিবার। কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেয়া নিখোঁজ সংবাদই নয়, দেশের বেশকিছু জেলায় নিখোঁজ হওয়ার আরও খবর মিলছে। এর মধ্যে কেবল নাটোরে গত ছয় মাসে ২৪ জনসহ মোট ২৮ তরুণ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের অধিকাংশের বয়স ১৫ থেকে ২১ বছর। নাটোরের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জী বলছেন, শনিবার পুলিশ নাটোর জেলায় ৪৪ জন তরুণ নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৮ জনের সন্ধান চেয়ে জিডি করেছেন স্বজনরা। জিডি হওয়া তরুণদের মধ্যে ২৪ জন চলতি বছর এবং ৪ জন গত বছর নিখোঁজ হন।
নিখোঁজদের অবস্থান নির্ধারণের চেষ্টা করছে র‌্যাব: নিখোঁজকৃতদের অবস্থান নির্ধারণের চেষ্টা করছে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগ। এ বিষয়ে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান মানবজমিনকে জানান, যারা নিখোঁজ রয়েছে তাদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছে র‌্যাব। এরআগে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন তারা। তিনি আরো বলেন, পরিবারের কাছে তারা ওই নিখোঁজদের পুরো তথ্য জানবেন। এরপর তাদের অবস্থান নির্ধারণের জন্য চেষ্টা করা হবে। তাদের খুঁজে বের করতে পারলে অন্যদের সন্ধান পাওয়া যাবে। র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, র‌্যাবের সদস্যরা ইতিমধ্যে নিখোঁজকৃতদের কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন নারীও আছেন। ওইসব নারীরা ঢাকার নামিদামি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। তাদের সঙ্গে আর পরিবারের যোগাযোগ নেই। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এজন্য তাদের খুঁজে বের করাও সম্ভব হচ্ছে না। তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে নিখোঁজরা আগে কোথায় পড়তেন, কাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল কিনা তা জানতে চাওয়া হবে। এক্ষেত্রে নিখোঁজদের সঙ্গে যাদের ভালো সম্পর্ক ছিল তাদেরও বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে। তবে র‌্যাবের ধারণা, যারা নিখোঁজ হয়েছে তাদের সবাই যে জঙ্গি তৎপরতাই লিপ্ত হয়েছে তা নিশ্চিত নয়। কেউ পরিবারের সঙ্গে অভিমান বা ঋণের টাকা দিতে না পারা অথবা প্রেমঘটিত কারণে বাড়ি ছেড়ে যেতে পারেন। সব বিষয়গুলো মাথায় রেখে তারা সন্ধানের চেষ্টা চালাবেন। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগ তৎপরতা শুরু করেছে। র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, যারা নিখোঁজ হয়েছেন তাদের সর্বশেষ কোথায় থেকে নিখোঁজ হয়েছে তাদের ওই স্থানটি নির্ধারণের চেষ্টা করা হবে। তারা কার সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ করেছে তা নির্ধারণের চেষ্টা করবেন। আর যারা বিদেশে চলে গেছে তাদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হবে। জানা গেছে, যারা নিখোঁজ হয়েছেন তাদের মধ্যে কিছু তরুণ জঙ্গিবাদের সঙ্গে আগে জড়িত ছিল। তারা জামিনে বেরিয়ে আবার ওই জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আবার গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় তারা স্বেচ্ছায় নিখোঁজ হয়েছে। তারাই মূলত আড়ালে থেকে জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
এদিকে, ভৈরব প্রতিনিধি জানান, কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গত ছয় মাসে ৯ যুবক নিখোঁজ হয়েছে। এদের মধ্যে একের পর এক ৬ জন যুবক বাড়ি ফেরত এলেও এখনও বাড়ি ফেরেনি ৩ যুবক। গতকাল বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ভৈরব থানা পুলিশ। চলতি বছরের ২৮শে জানুয়ারি ভৈরব শহরের শুম্ভুপুর গ্রামের মুসলিম মিয়ার ছেলে মো. নাহিদ ওরফে নিপু (২০), পরদিন একই গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মামুন মিয়া (২৪) এবং মৃত হাছেন আলীর ছেলে কাউসার আহমেদ সৌরভ (১৫) নিখোঁজ হন। এর দু’সপ্তাহ পর ১৭ই ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন জজ মিয়ার ছেলে আল ইসলাম (১৫)। ১৯শে ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন শহরের পঞ্চবটি এলাকার মৃত একিন আলীর ছেলে মো. ছোবহান মিয়া (১৯)। এছাড়া ১১ই এপ্রিল নিখোঁজ হয়েছেন পৌর শহরের তাতারকান্দি এলাকার আবদুল হক মোল্লার ছেলে মো. আজিজুল হক (১২) ও মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে শাহাজ উদ্দিন (১৯) এবং শুম্ভুপুর গ্রামের মো. হুমায়ূন মিয়ার ছেলে মো. মান্নান মিয়া (১৫)। সর্বশেষ গত ২৪ই জুন শহরের কমলপুর এলাকার আবদুল আসিম মিয়ার ছেলে মো. রহমত উল্লাহ। তবে এদের মধ্যে ৬ জন ফিরে আসলেও এখনও ফেরেননি শুম্ভুপুর গ্রামের আল ইসলাম, শহরের পঞ্চবটি এলাকার মো. ছোবহান মিয়া এবং শুম্ভুপর গ্রামের মো. নাহিদ ওরফে নিপু (২০)।
পরশুরাম (ফেনী) প্রতিনিধি জানান, র‌্যাবের তালিকায় নিখোঁজ ফেনীর ১১ ব্যক্তির মধ্যে নাম রয়েছে পরশুরামের ফোরকান চৌধুরী ও তাইফুল ইসলামের। তবে গত ১৫ই মার্চ থেকে তাইফুল ইসলাম নিখোঁজ থাকলেও ফোরকান চৌধুরী বর্তমানে তার নিজ বাড়িতেই আছেন। গতকাল নিখোঁজ ১১ ব্যক্তিকে তালিকা প্রকাশের পর খবর নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের মো. রুহুল আমিন চৌধুরী বেলালের ছেলে ফোরকান চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তার নিখোঁজের ব্যাপারে পরশুরাম থানায় কোনো জিডিও হয়নি বলে জানিয়েছেন পরশুরাম থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কাশেম চৌধুরী। তিনি জানান, র‌্যাব আমাদের কাছে তার ব্যাপারে তথ্য চেয়েছে। আমরা তদন্ত করে জানতে পেরেছি তিনি বাড়িতেই আছেন। সে তথ্যই আমরা তাদেরকে দিয়েছি। আরেক নিখোঁজ ব্যক্তি তাইফুল ইসলাম। তিনি সাতকুচিয়া গ্রামের আবদুল লতিফ ভূঁইয়ার পালক পুত্র। গত ১৫ই মার্চ ফেনীর একাডেমি রোডের বনানী পাড়ার হাসনা হেনা ভিলা থেকে নিখোঁজের পর তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ১৬ই মার্চ তার পরিবারের পক্ষ থেকে ফেনী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
কিশোরগঞ্জ থেকে স্টাফ রিপোর্টার ও নিকলী প্রতিনিধি জানান, র‌্যাবের নিখোঁজ তালিকায় থাকা কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর দালানভাঙা পাড়ার হাফেজ মো. আতিকুর রহমান নিখোঁজের সময় পাবনায় ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার। বর্তমানে তিনি সাভারের একটি মাদরাসায় পড়ছেন। র‌্যাবের ২৬১ জনের তালিকার ৪৭নং ক্রমিকে থাকা হাফেজ মো. আতিকুর রহমান গত ১৩ই জুন রাজধানীর শিল্পাঞ্চল থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। এ ব্যাপারে তার পরিবার ১৬ই জুন থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। তবে সাধারণ ডায়েরি করার এক সপ্তাহ পরেই হাফেজ আতিকুর বাড়ি ফিরে আসে বলে দাবি করছেন পরিবারের লোকজন। গতকাল সন্ধ্যায় হাফেজ মো. আতিকুর রহমানের সিংপুর দালানভাঙা পাড়ার বাড়িতে গেলে তার মা জুবেদা খাতুন, দাদা কফিল উদ্দিন ও ভগ্নিপতি চেরাগ আলী এসব তথ্য জানান।
এছাড়া আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী তালিকার ২১৫ নম্বরে থাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. রহমতুল্লাহ রাজশাহীর কারাগারে রয়েছেন বলে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। অন্যদিকে তালিকার ১ নম্বরে থাকা বগুড়ার ধুনট উপজেলার সাইদুল ইসলাম ঢাকায় তার কর্মস্থলে রয়েছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রহমতুল্লাহ নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজলোর মাগুরা গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। গত এপ্রিলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডের পর ১৭ই মে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে গত ১৪ই মে রাতে নগরীর মতিহার থানায় রহমতুল্লাহর নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক নুরুল আলম।
X


শেয়ার করুন

0 মন্তব্য: