আমাদের ছেলেরা প্রমাণ করেছে তারা যোগ্য

  আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গণে এখন সম্মানিত নাম বাংলাদেশ। আমাদের ছেলেরা প্রমাণ করেছে তারা যোগ্য। ইনশাল্লাহ্ একদিন আমরা বিশ্বকাপ জয় করবো-এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার ৪ সেপ্টেম্বর  রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার ২০১০-১১-১২ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। বাংলাদেশ এখন একটি সম্মানিত নাম। সাকিব আল হাসান বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার। মোস্তাফিজ তো কার্টার মাস্টার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কাজেই ক্রিকেট ‍অঙ্গণে রয়েল বেঙ্গল টাইগারদের সবাই হিস‍াব করেই চলে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে জামায়াত-বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সব ধরনের খেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। আমরা ক্ষমতায় আসার পরে ক্রীড়া অঙ্গনকে সজীব করে তুলতে শুরু করি। বাংলাদেশ টিম টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর অনেকে মন্তব্য করেছিলেন, বাংলাদেশ দল প্রস্তত না। আমি নাকি লবিং করে স্ট্যাটাস এনেছি। কিন্তু আমাদের ছেলেরা প্রমাণ করেছে তারা বিশ্বকাপ খেলার যোগ্য। তারা দেখিয়ে দিয়েছে, তারা কতটা প্রস্তুত। তারা (বিএনপি-জামায়াত) কিন্তু পারেনি। ওই জায়গাতেও তারা দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিলো।
ফুটবলে মেয়েরা যা পারছে, ছেলেরা তা পারছে না:
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনূর্ধ্ব ১৬ মেয়েরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফুটবলে ভালো করছে। এরা আরো সুনাম বয়ে আনবে। ফুটবলে মেয়েরা যা পারছে, ছেলেরা তা পারছে না। ছেলেরা তো ৫ গোল খেয়ে আসছে। তবে আশাকরি, তারাও একদিন ভালো করবে।
তিনি বলেন, খেলাধুলায় গুরুত্ব দিচ্ছি বলেই মেয়েরা চ্যাম্বিয়ন হচ্ছে। এছাড়া প্রতিবন্ধীরাও ভালো করছে। এদের প্র্যাকটিসের জন্য জায়গায় করে দিচ্ছি। প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা কমপ্লেক্স করে দিচ্ছি। আমরা দেখছি যারা ‍অন্ধ তারাও ট্রফি নিয়ে আসে। আমরা তাদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করছি। খেলাধুলায় প্রশিক্ষণ সবচেয়ে জরুরি।
৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় আসি তখন বিকেএসপিতে কেবল সাপই দেখা যেতো। সেখানে আমরা উন্নয়ন করে খেলাধুলার উপযোগী করেছি। এখন প্রত্যেক বিভাগে বিকেএসপি’র শাখা করছি। প্রত্যেক জেলার স্টেডিয়াম আছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, গ্রামে কিছু খেলা ছিলো। এগুলো আবার চালু করতে হবে। গোল্লাছুট, হা-ডু-ডু, ডাঙ্গুলির মতো খেলাও প্র্যাকটিস করতে হবে।
ক্রীড়া বিভাগটিও বঙ্গবন্ধুর চোখ এড়ায়নি:
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু এত সচেতন ছিলেন- মাত্র সাড়ে তিন বছরে ক্রীড়া বিভাগটিও তার চোখ এড়ায়নি। একদিকে যেমন তিনি আর্থসামাজিক উন্নয়ন করেছেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের ক্রীড়া সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং আইন প্রণোয়ন করে গেছেন।

শেয়ার করুন

0 মন্তব্য: