সর্দি জ্বর থেকে রক্ষা পাওয়ার ৯ উপায় জেনে নিন, সুস্থ থাকুন

অনেকেই এখন সর্দি জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। শিশুরা সহজেই এ জ্বরে আক্রান্ত হয়।তবে আগে থেকে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে সর্দি-জ্বর থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ লেখায় তুলে ধরা হলো সর্দি জ্বর থেকে রক্ষা পাওয়ার কিছু উপায়।
১. হাত ধোয়া
প্রায়ই হাতের মাধ্যমে সর্দি-জ্বরের জীবাণু দেহে প্রবেশ করে। তাই হাত নিয়মিত ধুয়ে ফেলা উচিত। এক্ষেত্রে আপনি যখন অন্য কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসবেন, বাইরে থেকে ঘরে ফিরবেন কিংবা বাইরের কোনো জিনিস নাড়বেন তখনই হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
২. বিশুদ্ধ বায়ু
বাড়ির ভেতরেও সর্দি-জ্বরের জীবাণু বাস করতে পারে। এক্ষেত্রে বাড়ির ভেতরে যেন বায়ু বিশুদ্ধ থাকে সেজন্য ধুলোবালি দূর করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের জন্য ব্যবস্থা রাখতে হবে। স্যাঁতসেতে ও আর্দ্র পরিবেশ থাকলে তা দূর করতে হবে।
৩. ভালো ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই সর্দি-জ্বর প্রতিরোধের জন্য ভালোভাবে ঘুমানো উচিত। এক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা এবং শিশুদের ১০ ঘণ্টা বা বয়স অনুযায়ী তার চেয়ে বেশি ঘুমানো উচিত।
৪. গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি
বিভিন্ন ধরনের চা সর্দি-জ্বরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এক্ষেত্রে গ্রিন টি কিংবা ব্ল্যাক টি পান করতে পারেন। এতে লেবুর রস, মধু কিংবা আদা দিলে তা আরও ভালো কাজ করবে।
৫. ভিটামিন সি ও জিংক
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। ভিটামিন সি ভাইরাসের বিরুদ্ধে দেহের প্রতিরোধক্ষমতা গড়তে সহায়তা করে। এছাড়া খাবারে থাকতে হবে জিংক। এজন্য বিভিন্ন বাদাম, সীম, কুমড়ার বীজ ও পালং শাক খাওয়া যেতে পারে।
 সর্দি জ্বরে আক্রান্ত
৬. শারীরিক অনুশীলন
নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন আপনাকে সুস্থ রাখবে এবং নানা রোগ থেকে রক্ষা করবে। এজন্য প্রতিদিন কমপক্ষে আধ ঘণ্টা জোরে হাঁটা বা জগিংয়ের মতো শারীরিক অনুশীলন করবেন। এছাড়া বেশিক্ষণ বসে থাকা যাবে না এবং শরীর সচল রাখতে হবে।
৭. মুরগির সুপ
মুরগির সুপ নানাধরনের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা গড়তে সহায়তা করে। তাই আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন মুরগির সুপ।
 ৮.পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
রোগজীবাণু থেকে মুক্ত থাকার জন্য বাড়ির আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। বাড়ির ভেতরের যেসব স্থানে জীবাণুর বাসা হতে পারে সেসব স্থান ভালোভাবে নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
৯. বাইরের খাবারে সতর্কতা
বাইরের খাবারে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে রাস্তার ধারের খাবার থেকে মানুষের দেহে নানা রোগের জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।

শেয়ার করুন

0 মন্তব্য: