মৃত উল্লেখ করে মামলার ৪ মাস পর আসামী জীবিত উদ্ধার


চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি |  চুয়াডাঙ্গায় মৃত উল্লেখ করে হত্যা মামলা করার ৪ মাস পর কলম আলী নামের এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ঝিনাইদাহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। কলম আলী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ছেলে। পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ২৬ শে জুন চুয়াডাঙ্গার নিজ বাড়ি থেকে ঝিনাইদাহ জেলা সদরের দূর্গাপুর গ্রামে শ্বশুড় বাড়িতে বেড়াতে যায় কলম আলী। ওই রাতেই সেখানে থেকে কলম আলী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন।
এই ঘটনায় নিখোঁজ কলম আলীর পিতা আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে গত ১৩ই জুলাই চুয়াডাঙ্গা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, আমার ছেলে কলম আলীকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গুম করেছে। এই ঘটনায় কলম আলীর স্ত্রী সালমা খাতুন (২৫) শ্বশুর মোতালেব আলী (৫০), শ্বাশুড়ি রুকিয়া খাতুন (৪৫) ও শ্যালক তানজিল বিশ্বাসকে (২২) আসামী করা হয়।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশকে রেকডভুক্ত করার নির্দেশ দেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তোজাম্মেল হক জানান, আদালতের নির্দেশের পর গত ১৭ই সেপ্টম্বর বাদীর অভিযোগটি চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় রেকর্ডভুক্ত করে তদন্তে নামে পুলিশ।
আলোচিত মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্তের এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার আমরা খবর পেয়ে কথিত মৃত কলম আলী বেচে আছেন। তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে অবস্থান করছে। এই খবরের পরই তাকে আটকের অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে রাত ৯টায় ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটকের পর কলম আলী জানান, দ্বিতীয় বিয়ের খবর গোপন রাখতেই সে আত্মগোপন করেছিলো। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল মোমিন জানান, মিথ্যা মামলা দায়ের করে নিরাপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানী করার অভিযোগে এই মামলার বাদী ও কথি

শেয়ার করুন

0 মন্তব্য: