হেরেও ফাইনালে নিউজিল্যান্ড


ত্রি-দেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে হেরেও ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। আগামী বুধবার সিরিজের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমখি হবে তারা। আজ ইংল্যান্ডের কাছে ২ রানে হার দেখে কিউইরা। এর আগে সিরিজের চার ম্যাচে চার জয়ে সবার আগে ফাইনালের টিকিট কাটে অস্ট্রেলিয়া। আজ ইংল্যান্ডের কাছে ২ রানে হার দেখে কিউইরা। অবশ্য এ ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিততে পারলে ফাইনালে খেলার সুযোগ ছিলো ইংলিশদের। সিরিজে এর আগে প্রথম দেখায় নিউৃজির‌্যান্ডের কাছে ১২ রানে হারে ইংল্যান্ড। অবশ্য কিউইদের বিপক্ষে আজকের জয়ে দু’দলের পয়েন্ট সমান হওয়া সত্ত্বেও রান রেটে এগিয়ে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড। এদিন ইংল্যান্ডের দেয়া ১৯৫ রানে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ১৯২ রানে থামে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৭৮ রান যোগ করেন দুই কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও কলিন মানরো। মানরোকে আউট করে এ জুটি ভাঙেন ইংলিশ লেগস্পিনার আদিল রশিদ। ২১ বলে ৭ ছক্কা ও ৩ চারে ব্যক্তিগত ৫৭ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন মানরো। পরে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন দ্রুত ফিরে গেলেও অন্যপ্রান্তে ব্যাটিং তান্ডব চালাতে থাকেন আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা গাপটিল। পরে ব্যক্তিগত ৬২ রানে লেগস্পিনার ডেভিড মালানের শিকারে পরিণত হন তিনি। ৪৭ বলে ৪ ছক্কা ও ৩ চারে এ ইনিংস খেলেন টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বাধিক রানের মালিক গাপটিল। টি-টোয়েন্ট ক্যারিয়ারে এটা তার ১৪তম ফিফটি। শেষ পর্যন্ত মার্ক চ্যাপম্যানের অপরাজিত ৩৭ রানেও হার এড়াতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ইংলিশদের হয়ে একটি করে উইকেট নেন টম কারেন, আদিল রশিদ. লায়াম প্লাঙ্ককেট ও ডেভিড মালান। এদিন হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠান কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এদিন ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফেরেন ইংল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক এউইন মরগান। ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৪ রানে মাথায় দুই ওপেনারকে হারায় ইংল্যান্ড। জেসন রয় ২১ ও অ্যালেক্স হেলস ১ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন। পরে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৯৩ রান যোগ করেন এউইন মরগান ও ডেভিড মালান। মালানকে ৫৩ রানে আউট করে এ জুটি ভাঙেন পেসার কলিন ডি গ্রান্ডহোম। পরে নিয়মিত উইকেট হারলেও ইংল্যান্ডের ব্যাটিং এক প্রান্তে আগলে রাখেন অধিনায়ক মরগান। শেষ পর্যন্ত মরগানের অপরাজিত ৮০ রানের উপড় ভর করে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। ৪৬ বলে ৬ ছক্কা ও ৪ চারে এ ইনিংস খেলেন তিনি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটা তার নবম অর্ধশত রান। ম্যাচ সেরা হন ইংলিশ অধিনায়ক এউইন মরগান।

শেয়ার করুন

0 মন্তব্য: