Previous
Next

সর্বশেষ

 বেপরোয়া শ্রীদেবী কন্যা

বেপরোয়া শ্রীদেবী কন্যা


বিনোদন ডেস্ক | শ্রীদেবী কন্যা জানভী কাপুর এরই মধ্যে তার প্রথম ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ‘ধাদাক’ শীর্ষক এ ছবিটি প্রযোজনা করছেন করণ জোহর। আর ছবিটি পরিচালনা করছেন শশাংক খাতান। কয়েকদিন আগেই এ ছবির প্রথম পোস্টার প্রকাশ হয়েছে। ছবিটি নতুন বছরের জুলাইতে মুক্তি পাবে। তবে তার আগেই খবরের শিরোনামে বার বার আসছেন জানভী কাপুর। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় তিনি। পাশাপাশি খোলামেলা ছবি প্রকাশের মাধ্যমেও সব সময় আলোচনায় থাকেন। তবে সম্প্রতি নগ্ন ছবি তিনি প্রকাশ করেছেন ইন্সটাগ্রামে। ছবিতে কেবল হাত দিয়ে নিজের গোপন অঙ্গ ঢেকেছেন তিনি। আর এর মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়েছেন জানভী। অনেকেই ছবির নিচে জানভীকে বেপরোয়া বলে উল্লেখ করেছেন। আবার অনেকে বলছেন ছবি শুরুর আগে আলোচনায় আসতেই এমন ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। আবার অনেকে শ্রীদেবীকে টেনেও নানা ধরনের সমালোচনা করছেন। তবে এসব সমালোচনায় একদমই পাত্তা দেননি জানভী। বরংচ নিজের মতো করেই ছবি পোস্ট করে গেছেন। সমালোচনার কোন জবাবও দেননি।
সোনাক্ষীর সিদ্ধান্ত বদল

সোনাক্ষীর সিদ্ধান্ত বদল


বিনোদন ডেস্ক | সোনাক্ষী সিনহা বর্তমানে বেশ কিছু ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে এখন পর্যন্ত তিনি যে ছবিগুলোতে অভিনয় করেছেন তার কোনটিতেই খুব বেশি খোলামেলা রূপে দেখা যায়নি তাকে। এমনকি বিকিনি পরেও ক্যামেরাবন্দি হননি তিনি। যেখানে বলিউডের প্রায় সব নায়িকাই কোনো না কোনো ছবিতে বিকিনি পরেছেন সেখানে সোনাক্ষীর বিকিনি না পরার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনাও কম হয়নি। পরিচালকরা বেশ কয়েকবার চাইলেও সোনাক্ষী ‘না’ করতে দ্বিধাবোধ করেননি। তবে এবার পর্দায় বিকিনি পরতে রাজি হয়েছেন শত্রুঘন সিনহার কন্যা। বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনি কি বিকিনি পরতে ভয় পান? সোনাক্ষী উত্তরে বলেন, মিথ্যা বলবো না। এতদিন পেয়েছি। কারণ আমি আমার ফিগারকে উপযুক্ত মনে করিনি বিকিনির জন্য। তবে আগের সোনাক্ষী এখন আর নেই। সিদ্ধান্ত বদল করেছি আমি। এখন আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট শারীরিকভাবে। বিকিনির জন্য উপযুক্ত। যেকোনো সময় দর্শকরা আমাকে বিকিনি পরে ক্যামেরাবন্দি হতে দেখবেন।
 যৌন নিপীড়নের অভিযোগ স্বীকার সেই মার্কিন ডাক্তারের

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ স্বীকার সেই মার্কিন ডাক্তারের


স্পোর্টস ডেস্ক | জিমন্যাস্টদের যৌন নিপীড়নের মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন দিলেন মার্কিন স্পোর্টস ডক্টর ল্যারি ন্যাসার। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন অভিযুক্ত এ মার্কিন ডাক্তার। ল্যারি ন্যাসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের জিমনাস্টিক ডাক্তারের দায়িত্বকালে ক্যারিয়ারে ১৩০জন নারী ও শিশুকে যৌন নিপীড়ন করেছেন তিনি। তার লালসার শিকারের তালিকায় রয়েছেন অ্যালি রাইসম্যান, ম্যাকেইলা মারোনি, গ্যাবি ডগলাসের মতো শীর্ষ মার্কিন জিমন্যাস্টরাও। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে স্বর্ন পদক কুড়ান যুক্তাষ্ট্রের এ তিন জিমন্যাস্ট। তবে সম্প্রতি তারা অভিযোগ করেন, ক্যারিয়ারে একাধিকবার দলের ডাক্তার ল্যারি ন্যাসারের দ্বারা যৌন নিপীড়িত হয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার পৃথক ৭টি মামলায় অভিযুক্ত করা হয় ল্যারি ন্যাসারকে। আর আদলতে জবানবন্দীতে ন্যাসার বলেন, আমি খুবই দুঃখিত। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারিনি। আমি তাদের ভালো চাই। সমাজের ভালো চাই।
 শিশুদের ফাস্টফুড থেকে দূরে রাখুন

শিশুদের ফাস্টফুড থেকে দূরে রাখুন


স্টাফ রিপোর্টার | ফাস্টফুডের প্রতি ঝুঁকছে শিশুরা। আর এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ছোট্ট সোনামণিদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। অস্বাভাবিক মোটা হয়ে যাচ্ছে অনেক শিশু। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তাদের শারীরিক গঠন। নিয়মিত এসব খাবার খেলে স্থুলতার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিস, মস্তিষ্কের সমস্যা, হার্টের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে শিশুদের। এমনই তথ্য উঠে এসেছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণা থেকে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের থোরাস্ক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চারবার ফাস্টফুড খায় এমন শিশুদের মধ্যে স্থুলতা, বিভিন্ন চর্মরোগ, একজিমা ও অ্যাজমা এবং নাক-কানের সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এ গবেষণাটি পরিচালনা করা হয় বিশ্বের ৩১টি দেশের ছয় থেকে সাত বছর বয়সী এক লাখ ৮১ হাজার শিশু এবং ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৫১টি দেশের কিশোর-কিশোরীদের ওপর। গবেষণায় দেখা যায়, ফাস্টফুডে অভ্যস্ত শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিভিন্ন অসংক্রমিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
আমাদের দেশে, বিশেষ করে ঢাকা শহরের প্রতিটি স্কুল-কলেজের আশেপাশেই রয়েছে অসংখ্য ফাস্টফুডের দোকান। ফলে এসব মুখরোচক খাবারের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছে শিশুরা। কিন্তু এসব ফাস্টফুড খাবারের মোড়কে উল্লেখ করা থাকেনা ক্যালরির পরিমাণ। তাই না বুঝেই অতিরিক্ত ক্যালরি সমৃদ্ধ এসব খাবার গ্রহণের ফলে শিশুদের মধ্যে স্থুলতা বা অল্প বয়সে মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে শিশুদের মধ্যে স্থুলতা নিয়ে জরিপ করে আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআরবি)। ‘শিশু-কিশোরদের মধ্যে স্থুলতার প্রকোপ এবং শারীরিক সক্রিয়তার ধরন’ শীর্ষক এ জরিপে দেখা যায়, দেশের শহরাঞ্চলের ১৪ শতাংশ শিশু অতিরিক্ত ওজন ও স্থুলতায় ভুগছে। আর ঢাকায় এ সংখ্যা ২১ শতাংশ। এ গবেষণায় দেশের ৭টি সিটি করপোরেশনের ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ৪ হাজার ১০০ শিশুর ওপর জরিপ চালানো হয়। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, জরিপে অংশ নেয়া ৯৮ শতাংশ শিশু সপ্তাহে কমপক্ষে চারবার শর্করা সমৃদ্ধ খাবার ভাত বা রুটি খেয়েছে। কিন্তু প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও আয়োডিন যে পরিমাণে খাওয়া দরকার, তা খাচ্ছে না। এ জরিপে আরো উঠে আসে, শিশুদের মধ্যে কমপক্ষে ৫০ ভাগ ডুবো তেলে ভাজা সিঙ্গারা, সমুচা, চপ ইত্যাদি খাবার খেয়ে থাকে। আর কমপক্ষে ২০ ভাগ শিশু খেয়েছে পিৎজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, চিকেন ফ্রাই ইত্যাদি। এসব খাবারই শিশুদের স্থুলতা বা মুটিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করা হয় এ গবেষণায়।
এ বিষয়ে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ মহুয়া বলেন, জাঙ্কফুড বা ফাস্টফুড শিশু স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। জাঙ্কফুড বলতে সাধারণত সিঙ্গারা, সমুচা, চপ ইত্যাদিকে বোঝানো হয়। এসব খাবার মূলত ডুবো তেলে ভাজা হয়। আর বেশিরভাগ দোকানেই একই তেল বারবার ব্যবহার করতে দেখা যায়। অতিরিক্ত জাল দেয়ার ফলে এ তেল একসময় বিষাক্ত হয়ে পড়ে। আর তখন ওই তেলে ভাজা খাবার খেলে সেখান থেকে তৈরি হয় ট্রান্সফ্যাট। আর এ ট্রান্সফ্যাট থেকেই শিশুদের মধ্যে স্থুলতা বা ওজন বৃদ্ধির ব্যাপারটি আসে। অন্যদিকে রয়েছে পিৎজা, বার্গার, স্যান্ডউইচ ইত্যাদি প্রসেসড (প্রক্রিয়াজাত) খাবার। এসব খাবার থেকে যে পরিমাণ ক্যালরি শিশুদের শরীরে জমা হয়, সে পরিমাণ ক্যালরি বার্ন করার মতো পরিশ্রম করার সুযোগ তাদের থাকেনা। ফলে তাদের রক্তে বা লিভারে জমা হয় অতিরিক্ত চর্বি। তবে হোমমেড (বাসায় তৈরিকৃত) খাবারে শিশুদেরকে অভ্যস্ত করা গেলে সেটি একটি সমাধান হতে পারে বলে জানান এ পুষ্টিবিদ। তিনি আরো বলেন, ফাস্টফুড থেকে শিশুদের স্থুলতা বা ওজনবৃদ্ধির বিষয়টি শুধুমাত্র শারীরিক সমস্যাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনা। একপর্যায়ে এটি ভুক্তভোগীর মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটি শিশু যখন তার শারীরিক গঠনের কারণে নিজেকে সমাজ থেকে আড়াল করার চেষ্টা করে, তখন তার মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়। এ হতাশা থেকে তৈরি হয় ইনসমনিয়া। আর ইনসমনিয়ার ফলে যখন রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, তখন সমস্যা আরো প্রকট হয়। এরকম পরিস্থিতিতে শিশু-কিশোররা মাদকাসক্ত পর্যন্ত হতে পারে।
রাজধানীর ধানমন্ডি টিউটোরিয়াল নামক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, সকালে যখন বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে আসি, ঘুম থেকে উঠে সে কিছুই খেতে চায়না। বেশিরভাগ সময় বাসা থেকে নুডলস বা নাগেট বানিয়ে নিয়ে আসি। তবে স্কুল ছুটির পরে বাচ্চা প্রায়ই জেদ ধরে রেস্টুরেন্টে খাওয়ার। একরকম বাধ্য হয়েই তখন ফাস্টফুড কিনে দিতে হয়।
সম্প্রতি কানাডা সরকার সেখানকার স্কুলগুলোতে ফাস্টফুড নিষিদ্ধ করেছে। সিটিভি নিউজে প্রকাশিত ‘ব্যান অন জাঙ্কফুড’ শিরোনামে কানাডিয়ান গবেষকদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিমাত্রায় ফাস্টফুড খেলে শিশুদের মধ্যে চঞ্চলতা ও আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়। আর এসব শিশুদের হতাশায় ভোগার মাত্রা অন্যদের তুলনায় ৫১ শতাংশ বেশি। এসব খাবার মস্তিষ্কের জন্যও ক্ষতিকর। যা শিশুদের পড়াশুনায়ও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাস্টফুড কালচার থেকে শিশুদেরকে বের করে আনতে আরো সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। অতিমাত্রায় ফাস্টফুড আর প্রযুক্তি নির্ভর না হয়ে, শিশুরা যেন সুস্থ শরীর ও মন নিয়ে সামাজিক হয়ে বেড়ে উঠতে পারে সেদিকেই নজর দিতে হবে। শিশুদের খাদ্যাভাসে আনতে হবে পরিবর্তন। কৃত্রিম খাবারকে না বলে, ঝুঁকতে হবে পুষ্টিকর খাবারের দিকে।
 কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী

কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার-  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি। কে আমাকে রিকগনাইজ করল কি করল না সেই হিসাব আমার নাই। আমার একটাই হিসাব, এই বাংলাদেশের মানুষ। তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে কতটুক কাজ করতে পারলাম সেটাই আমার কাছে বড়। আজ সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম সম্প্রতি পিপলস অ্যান্ড পলিটিক্স নামক একটি আন্তর্জাজিত সংস্থার গবেষণা রিপোর্ট সংসদে তুলে ধরে বলেন, ওই রিপোর্টে সৎ সরকার প্রধান হিসেবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাবিশ্বের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। আর সারা পৃথিবীর মধ্যে কর্মঠ সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ স্থান অর্জন করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চান। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, যাদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাদের দেশে জনসংখ্যা কত? আর আমার দেশের জনসংখ্যা কত? এইটা যদি তারা একটু তুলনা করতেন তাহলে হয়তো অন্য হিসাবটা আসতো। দ্বিতীয় কথা আমাদের এই  ছোট্ট ভূখন্ড ৫৪ হাজার বর্গমাইলের মধ্যে ১৬ কোটির উপর মানুষ বসবাস করে। তার উপর আবার জরিপে ১, ২, ৩, ৪  নম্বরে যারা আছেন তাদের কিন্তু জীবনে বাবা-মা ভাই বোন আপনজনকে হারাতে হয়নি। বা অত্যাচারিত নির্যাতিতও হতে হয়নি। জেলের ভাতও খেতে হয়নি মিথ্যা মামলায়ও জর্জরিত হতে হয়নি। আমাদের দেশের পরিবেশটা একটু আলাদা। আমরা যত ভালই কাজ করি না কেন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা, মিথ্যা প্রবাদ দেয়ার চেষ্টা করা। জেল জুলুম অত্যাচার সহ্য করা এমনকি বার বার মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া। এখানে একজনও কিন্তু গ্রেনেড হামলার শিকার হয়নি। ৭৬ কেজি বোমা দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়নি। বার বার আমার জীবনের উপর যে আঘাত এসেছে এরকম যদি একবারও হতো তাহলে অনেকেই ঘরে বসে যেতেন। কিন্তু আমি মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে জীবনকে বাজী রেখে বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। সেখানে নিজের জীবনে অর্থ সম্পদ টাকা পয়সা কি আছে না আছে ও নিয়ে আমি কখনো চিন্তাও করি না। ওটা নিয়ে আমার কোন দু:চিন্তা নাই। আল্লাহ জীবন দিয়েছে জীবন তো চলেই যবে।