Previous
Next

সর্বশেষ

রোনালদোর চেয়ে ১৫ বছর পিছিয়ে সালাহ: ক্লপ

রোনালদোর চেয়ে ১৫ বছর পিছিয়ে সালাহ: ক্লপ

স্পোর্টস ডেস্ক
সালাহ বনাম রোনালদো। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে কে কাকে টেক্কা দিতে পারবেন? প্রশ্নটা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের সপ্তাহ খানেক আগে থেকেই জোরদার হয়ে উঠেছে। লিভারপুল সমর্থকরা জানেন রোনালদোকে না আটকাতে পারলে রিয়ালের টানা তিন বার ট্রফি জয়ের নজির থামানো সম্ভব নয়।
এক বার রোনালদোকে আটকাতে পারলেই বাকি দায়িত্বটা থাকবে তাদের আক্রমণ ভাগের। বিশেষ করে মোহম্মাদ সালাহর। মিশরের স্ট্রাইকার গোটা মৌসুমেই দারুণ ফর্ম দেখিয়েছেন। রোমা থেকে লিভারপুলে সই করার পরে চলতি মৌসুমে তিনি প্রিমিয়ার লিগে ৩২টি গোল-সহ সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ৪৪টি গোল করে ফেলেছেন। সালাহ, রবার্তো ফির্মিনহো এবং সাদিও মানের ত্রিফলা আক্রমণের সাহায্যেই এ বারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোল দেওয়ার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে ইংরেজ ক্লাবটি। ২৫ বছর বয়সী সালাহর যে ভয়ঙ্কর ফর্ম দেখে অনেকে তার সঙ্গে রোনালদোর তুলনা শুরু করে দিয়েছেন।
তবে, লিভারপুল ম্যানেজার কিন্তু  বলে দিচ্ছেন সালাহ যতই ফর্মে থাকুন, তার সঙ্গে রোনালদোর তুলনা করার সময় এখনও আসেনি। এখনও সালাহ রোনালদোর চেয়ে ১৫ বছর পিছিয়ে আছেন। ক্লপ বলেন, 'সালাহ চলতি মৌসুমে দারুণ খেলেছে। কিন্তু এটা ভুললে চলবে না ক্রিশ্চিয়ানোর ক্যারিয়ারে এ রকম ১৫টা মৌসুম রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৭০০০ গোল করেছে রোনালদো।’
 তিনি যোগ করেন, 'কেন সালাহর সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানোর তুলনা করতে যাবো? পেলে যখন খেলতেন কেউ তার সঙ্গে অন্য কারও তুলনা করত না। এখন রোনালদো আর মেসি আছে। যারা কয়েক বছর ধরে দাপট দেখাচ্ছে।’
বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সাবেক ম্যানেজার মনে করেন, ব্যক্তি নয়, দল নিয়ে ভাবা উচিত এখন। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত ভাবে এক জন কতটা ভাল খেলে সেটাই শুধু দেখার নয়। আসল কথাটা হল, ভাল ফুটবল খেলা। আর সে জন্য দলে অন্য  ফুটবলারদেরও প্রয়োজন রয়েছে।’
পাশাপাশি তার দল ট্রফি জেতার দৌড়ে রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও সেটা মাথায় রাখতে চান না ক্লপ। তিনি বলছেন, ‘২০০৫ সালেও তো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আমাদের কেউ ট্রফি জেতার দৌড়ে এগিয়ে রাখেনি। শেষ পর্যন্ত কিন্তু লিভারপুলই জিতেছিল। এ বারও অনেকটা সে রকমই পরিস্থিতি।'
আল্লাহর সাক্ষাতই রোজার প্রতিদান

আল্লাহর সাক্ষাতই রোজার প্রতিদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
রহমতের চতুর্থ দিন আজ। মাহে রমজান বান্দাহকে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত প্রাপ্তির সুযোগ করে দেয়। রোজাদারদের জন্য সবচেয়ে বড় সুসংবাদ হচ্ছে- রোজার প্রতিদান।
মূলত মহান আল্লাহ পাকের দিদার (সাক্ষাত) লাভ করাই হচ্ছে রমজানের আসল প্রতিদান। আর সেই প্রতিদান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজ হাতেই দেবেন। যা রমজান মাস ছাড়া অন্য কোনো মাসে নেই।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এবাদত বন্দেগি সবকিছুর লক্ষ্য উদ্দেশ্য একটাই- আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টি অর্জন। রোজা রাখার উদ্দেশ্যও অভিন্ন। রোজার রাখায় আল্লাহকে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ রোজার প্রতিদান হিসেবে মহান আল্লার দিদার লাভ করা যায়।
এ প্রসঙ্গে সাহাবি হযরত আবু হুরায়রা (রাদি) বলেন, রসূলে পাক (সা.) এরশাদ করেছেন, মানুষের প্রতিটি সৎকাজের বিনিময়ে দশগুণ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত সওয়াব (পুণ্য) দান করা হয়।
আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, ‘ইল্লাচ্চাওমা ফাইন্নাহু লি ওয়া আনা আজজিবিহী।’ কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম। সেটা আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেবো। (রোজাদারের জন্য কী প্রতিদান রয়েছে তার উত্তরে স্বয়ং) আল্লাহ পাক আরো বলেন, বান্দা তার ইচ্ছা ও আহার শুধু আমারই কারণে ছেড়ে দেয়। রোজাদারের জন্য দুটি খুশি একটি ইফতারের সময় অন্যটি আল্লাহ তাআলার সঙ্গে সাক্ষাতের সময়....। (সহিহ মুসলিম)
তাফসীর গ্রন্থে হাদিসে কুদসীর এ বাণীর অর্থ , ‘রোজার প্রতিদান আমি নিজেই হবো। তার মানে রোজা রেখে রোজাদার আল্লাহকে পেয়ে যায়।'
মূলকথা, রোজার প্রতিদান হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত। আল্লাহ নিজেই বান্দার সঙ্গে সাক্ষাত করবেন।
মাহে রমজানে যারা ইসলামী শরীয়তের হুকুম আহকাম মেনে রোজা রাখবে, সৎকাজ করবে তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ‘নিজ হস্তে প্রতিদান’ তো আছেই, সেই সঙ্গে আরো কত পুরস্কার যে রয়েছে তা বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। রোজাদারের ঘুম ও নীরবতা পর্যন্ত এবাদত হিসেবে গণ্য করা হবে।
সাহাবি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আওফা (রাদি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,  রোজাদারের ঘুমানো এবাদত, তার নীরবতা হলো তাসবীহ পাঠ করা, তার দোয়া কবুল এবং তার আমল মকবুল। (শুয়াবুল ঈমান, ৩য় খণ্ড, ৪১৪ পৃষ্ঠা)
মাহে রমজানে রোজাদারের জন্য প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রতিদানের শেষ নেই। দেখুন না, একজন রোজাদার কী সৌভাগ্যবান।
উম্মুল মুমেনিন সৈয়্যদাতুনা আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, প্রিয়নবী হযরত মোহাম্মদ  (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রোজা অবস্থায় ভোরে জাগ্রত (উঠে) হয়, তার জন্য আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়। তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তাসবীহ পড়ে এবং প্রথম আসমানে অবস্থানকারী ফেরেশতা তার জন্য সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত মাগফিরাতের দোয়া করে। যদি রোজাদার এক কিংবা দুই রাকাআত নামাজ পড়ে তবে তার জন্য আসমানের আলো উদ্ভাসিত হয়ে যায়.......। (শুয়াবুল ঈমান, ৩য় খণ্ড, ২৯৯ পৃষ্ঠা।)
রোজাদারের জন্য আল্লাহ পাক অনেক নেয়ামত দান করেছেন। যারা সঠিকভাবে রোজা রাখবেন তারাই আল্লাহ পাকের এসব নেয়ামতের সৌভাগ্যবান হবেন।
আমিরুল মুমেনিন সৈয়্যদুনা হযরত আলী মুরতাজা (রাদি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘যাকে রোজা পানাহার থেকে বিরত রেখেছে, রোজার প্রতি যার মনের আগ্রহ ছিলো, আল্লাহ তাআলা তাকে (রোজাদারকে) জান্নাতি ফলমুল আহার করাবেন এবং জান্নাতি পানি পান করাবেন। (শুয়াবুল ঈমান, ৩য় খণ্ড, ৪১০ পৃষ্ঠা।)
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন প্রকৃত রোজাদারকে রোজার বদলে প্রতিদান হিসেবে হিসাব ছাড়াই সওয়াব (পুণ্য) দান করবেন।
হযরত কা’আবুল আহবার (রাদি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘কেয়ামতের দিন একজন আহ্বানকারী এই বলে আহ্বান করবেন, প্রতিটি আমলকারিকে তার আমল এর সমান সওয়াব দেয়া হবে, শুধুমাত্র কোরআনের জ্ঞানে জ্ঞানীগণ ও রোজাদার ব্যতীত। তাদেরকে অফুরন্ত ও হিসাব ছাড়া সওয়াব দেওয়া হবে।' (শুয়াবুল ঈমান, ৩য় খণ্ড, ৪১৩পৃষ্ঠা।)
রোজার প্রতিদান হিসেবে আল্লাহ তাআলা রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে অনেক দূরে রাখবেন।
সাহাবি হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাদি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, `যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার পথে একদিন রোজা রাখবে আল্লাহ পাক তার চেহারাকে জাহান্নাম থেকে সত্তর বছর দূরে রাখবেন।' (বুখারি শরীফ, ২য় খণ্ড, ২৬৫পৃষ্ঠা, হাদিস-২৮৪০)
তাই আসুন, রমজানের সবগুলো রোজা পালনের মধ্যদিয়ে আমরা মহান রবের সাক্ষাত লাভের সৌভাগ্যবান হই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন...আমীন।
ফরমালিনযুক্ত আম কিভাবে চিনবেন?

ফরমালিনযুক্ত আম কিভাবে চিনবেন?

রোজার মাসে ইফতারিতে আম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। লাল রঙের, মিষ্টি ঘ্রাণের সুস্বাদু আম সবারই মুখে জল নিয়ে আসে। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে ফমালিন দেয়া আমে বাজার ভরে গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ফরমালিন দেয়া আম খেলে আমাদের শরীরে ক্যানসারে ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে কিভাবে বুঝতে পারবেন কোনটি ফরমালিনযুক্ত ও কোনটি ফরমালিন ছাড়া আম। জেনে নিন এখানে।  
ফরমালিনযুক্ত আম : আমগুলো দেখতে সম্পূর্ণ হলুদ হবে। দেখতে খুব সুন্দর হবে। অনেক চকচকে দেখা যাবে। এমন কি কোনো দাগ থাকবে না আমের গায়ে। কোনো ধরনের ঘ্রাণ নেই বরং থাকবে হালকা দুর্গন্ধ। যদি খেয়ে দেখেন তবে বুঝতে পারবেন কোনো স্বাদও পাচ্ছেন না আমের। আর আমে কোনো মাছি না বসলে বুঝতে পারবেন এটি ফরমালিনযুক্ত আম।

ফরমালিনমুক্ত আম : কীটনাশক এবং ফরমালিনমুক্ত আমের রং দেখে হয় তো আপনার পছন্দ না হতে পারে। কিন্তু আমে কাচাপাকা রং থাকলে বুঝতে হবে এটি ফমালিনমুক্ত আম। এছাড়াও এ আমের গায়ে সাদাটে ভাব থাকবে।
এমন কি কালো কালো দাগও থাকবে। আর আমের বোটায় থাকবে সুঘ্রাণ। মুখে দিলে টক-মিষ্টি স্বাদ পাওয়া যাবে। এই আমে মাছি বসবে। আবার কিছু আম আছে যা পাকলেও খোসার রং সবুজই থাকে। এদের গায়ে কালো কালো দাগ থাকবে। সুঘ্রাণ থাকবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে  স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্বার


বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে স্কুল ছাত্র আব্দুল মান্নান  (১৬) লাশ উদ্বার করা হয়েছে ।  সে উপজেলার কালাছরা গ্রামের  আব্দুল করিমের ছেলে প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানায় ,আজ শনিবার  সকাল ৭ টার দিকে উপজেলার সেজমুড়া রেল ষ্টেশনের নিচের পানি থেকে কাালাছরা  উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র আব্দুল মান্নানের লাশটি উদ্বার করাহয়।স্থানীয় মেম্বার বাছির মিয়া বলেন গতকাল শুক্রবার সন্ধায় সে বাড়ির লোকদের  অনুরোধে কালাছরা রুপা নদির  উপার  থেকে কাটা ধান আনতে গেলে উপারের পাহড়ী ডলের ¯্রােতে পানিতে  ভেসে যায় পরিবারের লোকজন অনেক খুজাখুজির পর  শনিবার সকালে লোকজন থেকে খবর পেয়ে পুলিশ রেল লাইনের নিচের পানি থেকে তার লাশ উদ্বার করে ।এব্যপারে বিজয়নগর থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আর্শাদ বলেন ,সত্যতা স্বিকার করে  বলেন, বৃষ্টির আগ মূহুর্তে নদির উপাড় থেকে কাটা ধান আনতে গিয়ে পাহাড়ী ঢলে  ভেসে গিয়ে তার মৃত’্য হয় ,আজ শনিবার সকালে রেল লাইনের পাশে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্বার করা হয় ।
বিজয়নগরে অস্রসহ ডাকাত গ্রেফতার

বিজয়নগরে অস্রসহ ডাকাত গ্রেফতার



বিজয়নগর প্রতিনিধি- বিজয়নগরে জজ মিয়া(৫০) নামক দুর্ধষ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আ স ম আতিকুর রহমান ও এ এস আই মোঃ হাবিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ সোমবার  রাত ২টায় উপজেলার বুধšতী নামক স্থানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় পাইপগান উদ্ধার করা হয়। সে বিজয়নগর উপজেলার শশই গ্রামের মৃত জলফু মিয়ার ছেলে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ইনচার্জ আলী আর্শাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তার বিরুদ্ধে একাধীক ডাকাতি মামলা রয়েছে এবং  আইনগত ব্যাবস্থা নিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে সিগন্যাল পেয়েছে গাজীপুর স্টেশন

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে সিগন্যাল পেয়েছে গাজীপুর স্টেশন


সদ্য সফলভাবে উৎক্ষেপণ হওয়া বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে প্রাথমিকভাবে সিগন্যাল পেয়েছে গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশন।
স্টেশনটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, স্যাটেলাইটটি স্বাভাবিক গতিতেই তার গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে। কক্ষপথে এটা পৌঁছতে আরো সাত থেকে নয় দিন লেগে যাবে। গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে স্যাটেলাইটটি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।
উৎক্ষেপণের ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট পর গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশনে প্রাথমিক সিগন্যাল আসে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর গ্রাউন্ডের স্যাটেলাইট অপারেটর প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম।
গাজীপুর সিটির জয়দেবপুরের টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজের পাশে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন। এখান থেকেই বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। 
অন্যদিকে, বেতবুনিয়ার গ্রাউন্ড স্টেশনটি রয়েছে ব্যাকআপ স্টেশন হিসেবে। মূলত কাজ হবে গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকেই।
গাজীপুর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশনে সিগন্যাল আদান-প্রদানে ১০ টন ওজনের দুটি অ্যান্টেনা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া স্টেশনে বিদ্যুতর জন্য জেনারেটর স্থাপন ও বিদ্যুত সরবরাহের জন্য ছয়টি বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দেয়া হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ। এ গ্রাউন্ড স্টেশনটি হচ্ছে দেশের পুরো স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের ব্রেইন।
মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচালনা, সফল ব্যবহার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ইতিমধ্যে সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে।
স্টেশনটির পরিচালনা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ জানায়, এ কাজে এখন পর্যন্ত ১৮জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বিটিআরসি থেকে আরও জনবল নিয়ে প্রাথমিকভাবে ৩০ জনের একটি দল গাজীপুরের স্টেশনে কাজ করবে।
তারা আরো জানান, থ্যালাস এলিনিয়া প্রথম তিন বছর বাংলাদেশের সঙ্গেই স্যাটেলাইটটি পর্যবেক্ষণের কাজ করবে। এ সময়ে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের সক্ষমতা তৈরি হয়ে গেলে তারা এর দেখাশোনার পুরো দায়িত্বভার বাংলাদেশের ওপরই ছেড়ে দেবে।
স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন-৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ২টা ১৪ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়।
যেভাবে উড়লো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

যেভাবে উড়লো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

মহাকাশে উড়লো দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। সব অনিশ্চয়তা আর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মহাকাশ রাজত্বে প্রবেশ করলো বঙ্গবন্ধু-১। বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোররাত ২টা ১৪ মিনিটে এটি উৎক্ষেপিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে।
মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটটি বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোররাত ২টা ৪৭ মিনিটে এক টুকরো বাংলাদেশকে রেখে আসে তার নিজস্ব কক্ষপথে।
ফ্লোরিডার স্বচ্ছ আকাশে প্রায় সাত মিনিট স্যাটেলাইটটি দেখা যায়। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১। বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও সেখানে রয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোররাত ২টা ১২ মিনিট থেকে ৪টা ২২ মিনিটের মধ্যে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের কথা ছিল। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও উৎক্ষেপণের মিনিট খানেক আগে তা স্থগিত করা হয়।
স্পেসএক্সের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সামান্য ত্রুটির কারণে উৎক্ষেপণ ২৪ ঘণ্টার জন্য স্থগিত করা হয়েছিল।
এবার বিয়ে করলেন হিমেশ

এবার বিয়ে করলেন হিমেশ

বিনোদন ডেস্ক
ভারতীয় শোবিজ জগতে যেন বিয়ের জোয়ার এসেছে। গত এক সপ্তাহে এই নিয়ে চারটি বিয়ে হয়ে গেলো। সোনম কাপুর ও আনন্দ আহুজার বিয়ের পর প্রকাশ্যে আসে নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদির বিয়ের খবর। তারপর শুক্রবার (১১ মে) একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় দুটি বিয়ে। একটি টালিউডের নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী শুভশ্রীর বিয়ে, অন্যটি বলিউডের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক হিমেশ রেশমিয়ার বিয়ে।
হ্যাঁ, দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হিমেশ। দীর্ঘ দিনের বান্ধবী সোনিয়া কাপুরকে বিয়ে করেছেন তিনি। জানা যায়, অনেক দিন ধরেই হিমেশ ও সোনিয়া লিভ টুগেদার করতেন। অবশেষে সেই সম্পর্কটাকে পূর্ণতা দিয়েছেন তারা।  
গত ৯ মে সোনমের বিয়ের ঠিক পরের দিনই ছিল হিমেশ-সোনিয়ার মেহেদি অনুষ্ঠান। কিন্তু তাদের বিয়ের বিষয়টি পরিবারের আত্মীয়-স্বজন ছাড়া বিশেষ কেউ জানত না। যার ফলে গণমাধ্যমে খবরটি ছড়ায়নি। এদিকে শনিবার (১২ মে) রাতে অনুষ্ঠিত হবে হিমেশ-সোনিয়ার বিয়ের রিসিপশন পার্টি। এখানে বলিউডের তারকারা উপস্থিত থাকবেন।
সোনিয়াকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে হিমেশ রেশমিয়া বলেন, জীবনের এই নতুন যাত্রায় আমি খুশি। সোনিয়া খুব ভালো মেয়ে। আমরা একে অপরকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে এসেছি।
অন্যদিকে সোনিয়া কাপুর বলেন, হিমেশ খুব ভালো একজন মানুষ এবং ও আমার জীবন। ও আমার পৃথিবী। ওর সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করতে পেরে আমি খুব খুশি।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে প্রথম স্ত্রী কোমলের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় হিমেশ রেশমিয়ার। ২২ বছরের বিবাহিত জীবনে হিমেশ-কোমলের একটি ছেলেও রয়েছে, তার নাম স্বয়ং।
আজব রোগ পাইকা

আজব রোগ পাইকা

অনলাইন ডেস্ক
সব সমাজেই অল্প কিছু মানুষ থাকেন যারা সর্বভুক। তবে এসব ‘যাই পাই তাই খাই’ জাতীয় লোকজনের খাদ্যের চেয়ে অখাদ্যের প্রতিই আকর্ষণ বেশি। পেরেক, চামচ, কাচ, সেফটিপিন, টুথ ব্রাশ, কার্পেট, মাথার চুল, মাটি, টয়লেট পেপার এসবই সাগ্রহে খেতে থাকেন। বাদ যায় না তেলাপোকা ও টিকটিকি-ও। 
খাওয়ার অযোগ্য বস্তুর প্রতি এই আসক্তি আসলে এক ধরনের রোগ। যার পোশাকি নাম পাইকা। শিশুদের মধ্যে এই অখাদ্য খাওয়ার প্রবণতা খুব বিরল নয়। কেউ মাটি, কেউ সাবান খায়। কেউ আবার দেওয়ালের চুন খুঁটে খায়। সম্প্রতি নেহা সাউ নামে এক ১২ বছরের মেয়ের পাকস্থলি থেকে আড়াই কেজি চুলের টিউমার বের করেন সার্জনরা।
মনোরোগে আক্রান্ত বয়স্কদের মধ্যেও এই রোগ দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের একুশ বছরের যুবক কেরি ট্রেবলিকক হট সস দিয়ে ৪ হাজারের বেশি বাসন মাজনি খেয়ে ফেলেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির একজনের পেটে ১৪০০ রকমের অখাদ্য উদ্ধার করেছিলেন চিকিৎসকরা। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের এক যুবকের পেট কেটে দু’টি চামচ, একটি  লোহার রডের টুকরো ও একটি জিভছোলা বের করেন সার্জনরা।
পাইকা রোগ অবশ্য নতুন নয়। তেরো শতকের গ্রিক ও রোমান সাহিত্যেও এই অদ্ভূতুড়ে রোগের উল্লেখ রয়েছে। পাইকা রোগে আক্রান্তরা এমন বিজাতীয় কিছু খান যার ভিতর কোনও পুষ্টি নেই। ইট, কাদামাটি, পাথর, রং, কাচ, পয়সা, সাবান, কাপড়, কাগজ। ৪-২৬ শতাংশ মানুষের মধ্যে পাইকা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অতএব,  শিশুদের মধ্যে বাজে কিছু খাওয়ার প্রবণতা থাকলেই সতর্ক হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
পাইকা কী?
খাওয়ার অযোগ্য বস্তুর (মাটি, সাবান, চুল, ধাতু, কাচ, কার্পেট, ইত্যাদি) প্রতি আসক্তি এক ধরনের রোগ। যার পোশাকি নাম ‘পাইকা’।
রোগের উৎস
রোগের উৎস নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে, এই রোগের সঙ্গে মানসিক রোগ, উদ্বেগ, অপুষ্টি, রক্তাল্পতার সম্পর্ক রয়েছে।
কাদের হয়?
শিশু, গর্ভবতী মহিলা ও ডিমনেশিয়ায়া কাবু বয়স্কদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়। আদিবাসীদের মধ্যেও প্রকোপ বেশি।
চিকিৎসা ?
এই রোগ কাউন্সেলিং ও ওযুধ দিয়ে সম্পূর্ণ সেরে যায় বলে দাবি সাইক্রিয়াটিস্টের।
রোগের উৎস 
রোগের উৎস নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারও পর্যবেক্ষণ, বাসস্থানের আশপাশে রাসায়নিক কারখানা, বর্জ্য নিষ্কাশন হলে পাইকা রোগ বাসা বাধতে পারে মনে। কেউ আবার বলছেন,  উদ্বেগ থেকেই এই রোগের জন্ম। পড়াশোনার চাপ, বাবা-মায়ের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হলে শিশুর উপর মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। তার থেকেই পাইকা’র জন্ম হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, এই রোগের সঙ্গে মানসিক অসুস্থতা, উদ্বেগ, অপুষ্টি, রক্তাপ্লতার সম্পর্ক রয়েছে। গর্ভবতী মহিলা এবং ডিমেনশিয়ায় কাবু বয়স্কদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়। পাইকা’য় আক্রান্তরা অনেক সময় যৌনাঙ্গ দিয়েও বিজাতীয় জিনিস প্রবেশ করায়। বিজ্ঞানীদের মতে  পাইকা’য় আক্রান্তদের পরিপাকতন্ত্র এমনভাবে তৈরি হয়ে যায় যে লোহাও হজম হয়ে যায়।
জেনে নিন জুমার দিনের কিছু আমল

জেনে নিন জুমার দিনের কিছু আমল

জার্নাল ডেস্ক
ইসলামের জুমার গুরুত্ব অপরিসীম।ছয়দিন পর মুসলিম উম্মার দুয়ারে হাজির হয় এই দিনটি। দিনটি সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহপাক কুরআনে বলেছেন ‘হে মুমিনগণ জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের উদ্দেশেও দ্রুত ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ কর’।সূরা জুমা, আয়াত নং-৯। 
তাই জুমার আজানের আগেই সব কর্মব্যস্ততা ত্যাগ করে জুমার নামাজের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে মসজিদে গমন করা সব মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব।এই দিনের বিশেষ কিছু আমল রয়েছে, যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এর মধ্যে কয়েকটি আমল নিচে উল্লেখ করা হলো:
হজরত আউস ইবনে আউস রা. বলেন, ‘রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিনে ভালোভাবে গোসল করবে, সকাল সকাল প্রস্তুত হয়ে হেঁটে মসজিদে গমন করে ইমাম সাহেবের কাছে বসবে এবং মনোযোগী হয়ে তার খুতবা শ্রবণ করবে ও অনর্থক কর্ম থেকে বিরত থাকবে, তার প্রত্যেক কদমে এক বছরের নফল রোজা এবং এক বছরের নফল নামাজের সওয়াব আল্লাহপাক তাকে দান করবেন।’ (নাসাঈ শরিফ ১৫৫)
হজরত আবু হুরায়রা (রা) বলেন, ‘রাসুল (সা.)  বলেছেন ‘যে উত্তমরূপে অজু করবে, অতঃপর জুমার মসজিদে গমন করবে এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শ্রবণ করবে তার এ জুমা থেকে পূর্ববর্তী জুমাসহ আরো তিন দিনের গুনাহগুলো ক্ষমা করা হবে। আর যে ব্যক্তি খুতবা শ্রবণে মনোযোগী না হয়ে খুতবা চলাকালীন কঙ্কর-বালি নাড়ল, সে অনর্থক কাজ করল।’ (মুসলিম শরিফ ১/২৮৩)।
হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহ্ফ তেলাওয়াত করবে তার (ইমানের) নূর-এ জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত চমকাতে থাকবে।’ (মেশকাত শরিফ-১৮৯) 
হজরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাযি থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন ‘